Logo

 

দিনপুঞ্জি

সেপ্টেম্বর ২০২১
সোমমঙ্গলবুধবৃহ:শুক্রশনিরবি
 
 
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০
 
 
 
এস.আই.এল. ইন্টারন্যাশনাল
Logo

এস.আই.এল. ইন্টারন্যাশনাল সম্পর্কে

এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল : এসআইএল আমেরিকাতে ১৯৩৪ সালে গ্রীষ্মে ভাষা শিক্ষার প্রশিক্ষণ কোর্ষ হিসাবে শুরু হয়েছিল। প্রাথমিক দিকে বেশীর ভাগ ছাত্রছাত্রীরা মেক্মিকো শহরে মাঠ পযায়ে গ্রামে নৃ-তাত্ত্বিক ভাষাভাষি জনগোষ্ঠির উপর কাজ করতে যায়। ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটি বড় হতে থাকে এবং এক সময় ৪০টিরও বেশি দেশের সদস্যদের নিয়ে একটি আন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানের আকার ধারন করে। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ৭০টিরও বেশি দেশে কাজ করছে। প্রাতষ্ঠাটির বিশেষত্ব হচ্ছে ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীদের ব্যক্তি কেন্দ্রিক শিক্ষা এবং উন্নয়ন । ১৯৯৩ সালে এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল সব প্রথম ইউনেস্কো থেকে পরামশক বে-সরকারি সংস্থার মযাদা লাভ করে। ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর সাথে নেটওয়াক হিসাবে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে পরামশকের সম্পক হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৯৭ সালে ইউএন এর অথনৈতিক এবং সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC), এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল-কে ইউএন এর “ বিশেষ পরামশক মযাদা “ প্রদান করা হয়। এসআইএল এর কমচারীরা প্রতিটি ভাষা ও সাংস্কৃতিকে মূল্যায়ন করে। ভাষা এবং আন্ত: সাংস্কৃতিক কাজের প্রস্তুতি হিসেবে এসআইএল এর কমচারীরা নিয়মিতভাবে ভাষা, নৃ-তত্ত্ব, শিক্ষা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় সমূহের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহন করে। তাদের ফিল্ড ওয়াকে তারা অন্যান্য সরকারি ও বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে নৃ-তাত্ত্বিক ভাষাগোষ্ঠিকে তাদের ভাষা বিশ্লেষন করতে সাহায্য করে, তাদের সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত চচা ও ডকুমেন্ট তৈরিতে সাহায্য করে, লিখিত রুপের উন্নয়ন করতে (যদি কোন উন্নয়ন না ঘটে থাকে), অভিধানের উন্নয়ন ও অন্যান্য মুল বা অনুবাদকৃত সাহিত্যের উন্নয়ন এবং শিক্ষা দেবার প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ক্লাশ স্থাপন ও পরিচালনা করা।
এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল : এসআইএল আমেরিকাতে ১৯৩৪ সালে গ্রীষ্মে ভাষা শিক্ষার প্রশিক্ষণ কোর্ষ হিসাবে শুরু হয়েছিল। প্রাথমিক দিকে বেশীর ভাগ ছাত্রছাত্রীরা মেক্মিকো শহরে মাঠ পযায়ে গ্রামে নৃ-তাত্ত্বিক ভাষাভাষি জনগোষ্ঠির উপর কাজ করতে যায়। ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠানটি বড় হতে থাকে এবং এক সময় ৪০টিরও বেশি দেশের সদস্যদের নিয়ে একটি আন্তজাতিক প্রতিষ্ঠানের আকার ধারন করে। প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে ৭০টিরও বেশি দেশে কাজ করছে। প্রাতষ্ঠাটির বিশেষত্ব হচ্ছে ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক ভাষাভাষী জনগোষ্ঠীদের ব্যক্তি কেন্দ্রিক শিক্ষা এবং উন্নয়ন । ১৯৯৩ সালে এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল সব প্রথম ইউনেস্কো থেকে পরামশক বে-সরকারি সংস্থার মযাদা লাভ করে। ১৯৯৮ সালে ইউনেস্কোর সাথে নেটওয়াক হিসাবে প্রাতিষ্ঠানিক ভাবে পরামশকের সম্পক হিসাবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। ১৯৯৭ সালে ইউএন এর অথনৈতিক এবং সামাজিক কাউন্সিল (ECOSOC), এসআইএল ইন্টারন্যাশনাল-কে ইউএন এর “ বিশেষ পরামশক মযাদা “ প্রদান করা হয়। এসআইএল এর কমচারীরা প্রতিটি ভাষা ও সাংস্কৃতিকে মূল্যায়ন করে। ভাষা এবং আন্ত: সাংস্কৃতিক কাজের প্রস্তুতি হিসেবে এসআইএল এর কমচারীরা নিয়মিতভাবে ভাষা, নৃ-তত্ত্ব, শিক্ষা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক বিষয় সমূহের উপর প্রশিক্ষণ গ্রহন করে। তাদের ফিল্ড ওয়াকে তারা অন্যান্য সরকারি ও বে-সরকারি প্রতিষ্ঠানকে সাথে নিয়ে নৃ-তাত্ত্বিক ভাষাগোষ্ঠিকে তাদের ভাষা বিশ্লেষন করতে সাহায্য করে, তাদের সাংস্কৃতিক ও ভাষাগত চচা ও ডকুমেন্ট তৈরিতে সাহায্য করে, লিখিত রুপের উন্নয়ন করতে (যদি কোন উন্নয়ন না ঘটে থাকে), অভিধানের উন্নয়ন ও অন্যান্য মুল বা অনুবাদকৃত সাহিত্যের উন্নয়ন এবং শিক্ষা দেবার প্রাক-প্রাথমিক স্তরে ক্লাশ স্থাপন ও পরিচালনা করা। বাংলাদেশে এসআইএল (SIL in Bangladesh) প্রাথমিকভাবে ২০০২ সাল থেকে এসআইএল সিলেট বিভাগে নৃ-তাত্ত্বিক ভাষাগুলোকে কেন্দ্র করে কাযক্রম শুরু করে। প্রকল্পের নাম “ল্যাংগুয়েজ ডেভেলপমেন্ট এন্ড এডুকেশন ফর রুরাল এথনিক কমিউনিটিস ইন বাংলাদেশ”। এই প্রকল্পের অধীনে বিস্তারিত ভাষাগত জরিপ চালানো হয়েছে, খাসি, বিষ্ণুপ্রিয়া ও মেইতি মুনিপুরি ভাষার উপর। পরবত্তীতে ওয়াকশপ পরিচালনা করা হয়েছে। সেই সব ভাষাগোষ্ঠির জনগনের সাথে যারা তাদের শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক উন্নয়নের জন্য মাতৃভাষায় শিক্ষা উপকরণ তৈরিতে আগ্রহী হয়। এই ধারাবাহিকতায় শিশুদের মাতৃভাষাভিত্তিক পাঠ্যবইয়ের উন্নয়ন এবং শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া সম্ভব হয়েছিল। এর ফলসরূপ বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরী শিশুদের মাঝে মাতৃভাষা ভিত্তিক প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয় এবং এখনো তা চলমান আছে। সংস্থার লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য : “এসআইএল ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জনগোষ্ঠির মানুষের ভাষা ও সংস্কৃতি টিকিয়ে রেখে তাদের উন্নয়নের লক্ষ্য অজনে সাহায্য সহযোগিতা করে থাকে”। এসআইএল-এর মূল্যবোধ- ১। সৃষ্টির প্রতি যত্মবান হওয়া : যা কিছু সৃষ্টিকতা সৃষ্টি করেছেন তার প্রতি যত্ব নেব। (রাগ, ক্ষতি, হিংসা নয় কিন্ত ভালবাসা এবং সহমমিতা থাকবে)। ২। বৈচিত্রের মাঝে একতা : আমরা সবাই এক রকম নয়। সবাই সবার থেকে আলাদা। কেউ সবল আবার কেউ দূবল। এই বৈচিত্রকে শক্তি হিসেবে ব্যবহার করব। ৩। সহানুভুতি এবং সততার সাথে সেবা করা : কাজের প্রতি এবং যাদের জন্য কাজ করছি, তাদের প্রতি সহানুভুতি থাকা এবং সততার সাথে কাজ করা। ৪। দশণ এবং দক্ষতা বৃদ্ধি/তৈরি : যাদের জন্য কাজ করছি তাদেরকে তাদের উন্নতির জন্য লক্ষ্যস্থির এবং অজনের জন্য দক্ষতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করা। ৫। ধনাধ্যক্ষতা : সমস্ত সম্পদ কাযকর এবং ফলপ্রসুভাবে ব্যবহার করা। ৬। সমস্ত কিছুর জন্য স্বগীয়/সৃষ্টিকতার নেতৃত্বের উপর নিভর করা : শুধুমাত্র আমাদের ব্যক্তিগত সামথের উপর নিভর করা।

 

NGO সমূহ