Logo

 

দিনপুঞ্জি

জুন ২০২২
সোমমঙ্গলবুধবৃহ:শুক্রশনিরবি
 
 
১০
১১
১২
১৩
১৪
১৫
১৬
১৭
১৮
১৯
২০
২১
২২
২৩
২৪
২৫
২৬
২৭
২৮
২৯
৩০
 
 
 
মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা
Logo

মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা সম্পর্কে

মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা একটি সেবামূলক সেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান। ২০১১ সালে মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং সে সময় হতে এখন পর্য়ন্ত এই প্রতিষ্ঠান সেবামূলক র্কমকান্ড করে আসছে, ফলস্বরুপ মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা মানুষের মাঝে সামাজিকভাবে গ্রহনযোগ্যতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি বাংলাদেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মানুষের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং এর কর্ম পরিধি ক্রমাগতভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানটি একটি অভিজ্ঞ ও যোগ্যতা সম্পূন্ন পরিচালনা পরিষদের দ্বারা পরিচালিত হচ্ছে। একই সাথে একদল দক্ষ, সৎ, যোগ্যতা সম্পন্ন কর্মকর্তা-কর্মচারীর প্রচেষ্টায় মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা বর্তমানে অগ্রগতির এই অবস্থানে অবস্থান করছে। এটি চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় গড়ে উঠলেও এটির বিস্তৃতি অনেক জেলায় ছড়িয়ে পড়েছে। উদ্দেশ্য হচ্ছে দরিদ্র, বঞ্চিত, অবহেলিত মানুষের কল্যাণ ও উন্নয়নে কাজ করা। তাদের ভাগ্যোন্নয়নে ও পরিবর্তনে তাদের সাথে এক যোগে কাজ করা।

মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা হল একটি স্বেচ্ছাসেবী এবং অলাভজনক উন্নয়ন সংস্থা যা ২০১১ সাল থেকে ভূমিহীন, আশ্রয়হীন প্রান্তিক কৃষকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের জন্য প্রবর্তিত এবং নিবেদিত প্রাণ। সমাজের ক্ষমতাবান দল দ্বারা অবহেলিত, শোষিত এবং নিপীড়িত লোকদের বিভিন্ন ক্ষেত্রের জন্য সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা। আফসোসের বিষয় যে, এই মানুষগুলো আগে ভালো অর্থনৈতিক অবস্থানে ছিল, নিজেদের জমি চাষ করত এবং জীবিকা নির্বাহের জন্য কোনো কষ্ট ভোগ করত না। কিন্তু শেষ পর্যন্ত কৃতজ্ঞ সামাজিক সংস্কার না করার কারণে তাদের ভূমিহীন ও গৃহহীন হওয়ার প্রক্রিয়া তৈরি হয়েছিল। কাঠামোগত অবক্ষয়, বিধ্বংসী বন্যা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস ও নদী ভাঙনে চাষযোগ্য জমির বিপুল ক্ষতি সাধিত হয়। এসব মানুষ প্রতারণা, প্রান্তিকতা, দারিদ্র, অশিক্ষা, অজ্ঞতা, কুসংস্কার, উন্নত বীজ ও উচ্চ ফলনশীল জাতের চাষাবাদ ইত্যাদি না জানার কারণে তাদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং কখনো কখনো এসব মানবাধিকার থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। বিদ্যমান অমানবিক প্রক্রিয়া এই সমস্ত লোককে কেবলমাত্র সমালোচনামূলক প্রতিবেশীদের উপর নির্ভরশীল করে তোলে যারা সর্বদা তাদের নিজস্ব জঘন্য স্বার্থের সন্ধানে থাকে এবং মানবতার জন্য বড় দুর্ভোগের কারণ হয়। অত্যাচার ও যন্ত্রণার উত্তম অভিজ্ঞতা পর্যবেক্ষণ করে, কিছু উৎসাহী ও নিবেদিতপ্রাণ মানুষ, মোঃ খায়রুল ইসলাম এর সক্রিয় ও অভিজ্ঞ নেতৃত্বে মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা প্রতিষ্ঠার জন্য এগিয়ে আসেন। “মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা” দরিদ্র মানুষের সমস্যা সমাধানকল্পে নানা ধরনের ক্ষেত্র তৈরি করে দিয়ে থাকে, যাতে তারা তাদের সম্ভাবনার বিকাশ ঘটিয়ে নিজের জীবনে তা বাস্তবায়ন করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে আমরা বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় কর্মকাণ্ড পরিচালনা করছি। কোন একটি কর্মপরিকল্পনা ছোটো আকারে গ্রহণ করে, পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে আমরা তার উৎকর্ষ সাধন করি এবং ব্যয়সাশ্রয়ী উপায়ে মান বজায় রেখে ব্যাপক আকারে সেই কর্মকাণ্ডের বিস্তার ঘটাই। কেবল বিস্তার ও কর্মপরিধির জন্য নয় বরং সদা উদ্ভাবনী মনোভাব এবং নিজেদের ভুলত্রুটিগুলো সংশোধন করে নেওয়ার বৈশিষ্ট্যের কারণেই আমরা স্বতন্ত্র। আমরা বিশ্বাস করি, মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের মূল চালক সে নিজেই। আমরা থাকি সহায়কের ভূমিকায়।

মিশনঃ
একটি উন্নতর সুখি ও শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়ে তোলার লক্ষ্যে “মা ও শিশু কল্যাণ সংস্থা” অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করা এবং প্রশংসনীয় অবদান রাখা।

ভিশনঃ
নারী ও শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং নারীর ক্ষমতায়নের মাধ্যমে তাদের সামগ্রিক উন্নয়নের মূল ধারায় সম্পৃক্তকরণ।

লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যঃ
১. অত্র সংস্থার কার্য এলাকাভুক্ত গরীব, বিত্তহীন ও অসহায় পরিবারের লোকদের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এর ব্যবস্থা করা এবং স্বাবলম্বী হিসাবে গড়ে তোলার ব্যবস্থ্যা করা।
২. সংস্থার সদস্যবৃন্দ ও উপকার ভোগীগণ যৌতুক নিতে ও দিতে পারবে না।
৩. এসিডদগ্ধ মহিলা ও শারারীক প্রতিবন্ধীদের আর্থিক সহায়তা দানের মাধ্যমে পূর্ণবাসনের ব্যবস্থা করা।
৪. গরীব ও অসহায় প্রসূতি মায়েদের সন্তান প্রসবে আর্থিক সহায়তা দানের ব্যবস্থা করা।
৫. বিভিন্ন জাতীয় ও ধর্মীয় দিবস উদযাপন করা।
৬. অত্র প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কার্য এলাকাভুক্ত লোকদের অসামাজিক কার্যক্রম, ক্ষতি অভ্যাস ও মানবিক বিকৃতমূলক অভ্যাস ইত্যাদির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা ও ইহা না করার জন্য পরামর্শ প্রদান করা। এছাড়া আসক্তদের চিকিৎসা নিরাময় ও পূনর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
৭. বেকার যুবক/যুবতীদের কর্মক্ষম করার লক্ষ্যে বিভিন্নমূখী প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা ও আত্ম-কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা।
৮. স্বেচ্ছায় আত্মপীড়িতদের সেবা দানের ব্যবস্থা করা।
৯. এলাকাভুক্ত দুঃস্থ পরিবারের বেকার নারী চিহ্নিত করে তাদের পারিবারিক আয় বৃদ্ধিকল্পে ছোট ছোট হাঁস-মুরগী খামার, নার্সারী, কুটির শিল্প গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করার ব্যবস্থা করা এবং আর্থিক সহায়তা দিয়ে তাদের স্বনির্ভর করে গড়ে তোলার ব্যবস্থা করা।
১০. শিশু শ্রমের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিসহ শিশুদের স্কুলে যাওয়ার ব্যবস্থা করা।
১১. পরিবার পরিকল্পনা কার্যক্রম চালু করে ছোট পরিবার গঠন উদ্বদ্ধ করা।
১২. মৎস্য চাষ প্রকল্প চালু করে বেকার যুবকদের কল্যাণ সাধণ করা।
১৩. সামাজিক শিক্ষা কার্যক্রম যেমন- নাগরিক দায়িত্ব নির্ধারণ সম্পর্কীয় বয়স্ক শিক্ষা ব্যবস্থা চালু করা।
১৪. দুঃস্থ রোগী পূণবার্সন ও কল্যাণ কার্যক্রম চালু করা।
১৫. বন্যা দূর্গত, ঘূর্ণিঝড় ও জ্বলোচ্ছাস এলাকা এবং বিভিন্ন প্রার্কতিক দুর্যোগ কবলিত এলাকায় দূর্গতদের সাহায্য দান ও তাদের উদ্ধার কার্যক্রমসহ পূণর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
১৬. বৃক্ষ রোপন কার্যক্রম চালু করে বৃক্ষরোপনে জনগণকে উদ্বূদ্ধ করা।
১৭. বয়স্ক ও অসমর্থ ব্যক্তিদের পূণর্বাসনের ব্যবস্থা করা।
১৮. অবহেলিত ও দুঃস্থ মহিলাদের পূণর্বাসনের ব্যবস্থা করা।


 

NGO সমূহ